সুবীর সরকার
*********************************
ভরা নদীর বাঁকে বাঁকে
ক.
কোথাও কিংবদন্তি তৈরী হছে।জনশ্রুতি উপকথার যৌথতায় কিংবদন্তি কিংকর্তব্যবিমূঢ় প্রান্তবাসীর প্রচলিত কাহিনী দলবৃত্তে ভোরবেলার গা থেকে বেরোন গল্পের মতো ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতের অভিব্যক্তি হয়ে যেন অভিশাপের কলাবৃত্তে অন্যমনস্ক নতুনতর আখ্যানের শরীরে মিশে যেতে থাকে।আবার কিংবদন্তীর অনুখন্ডের উপর বাতাস বইতে থাকে ভরাবর্ষার নদীতে জোরে নৌকো বাইবার মতো।অগণন কাঠের বাড়ি জীবন বৃত্তান্তের পাঠ পতনজাত উন্মোচনে শিহরিত লোক কাহিনির গন্ধ শুঁকতে শুঁকতে বাঁশফুল ও বিবৃতির ব্যক্তিগতে নিবিড়তা গাঢ় খোয়াবে হাসি কান্নার আত্মগতে গো-মহিষের গাড়ি চলাচলে নিজর্ন মুখরতায় তৈরী হতে থাকা কিংবদন্তি আবার কিংবদন্তির ভেতরেই পাশ ফেরে মেঠো ইঁদুর ঘুনপোকা শুন্য মাঠের রিক্ততায় হাহাকারের ভাঙা জীবনের মাঝখান দিয়ে বইতে থাকা হাট বাজার ঘিরে রাখা নদী ও নদীচ্ছায়াজাত বিন্যাসের পায়ে মাথা কোটে।
খ.
মরে যাওয়া জ্যোস্নার ব্যাপ্তিতে রাতচরা পাখির অদৃশ্য জায়মানতার শৈথিল্যে দৃশ্যের পর দৃশ্যের জন্ম হয়।জন্ম জন্মান্তরের আগল খুলে ধুলোবালির রিক্ততায় চিরনতুন সব মানুষেরা মহাপৃথিবীর বিশাল আদিম উৎসবিন্দু টুকু স্পশ র্করে,ছুঁয়ে যেতে চায়।আর ভরানদীর বাঁকে বাঁকে জেগে ওঠে অনন্তকালের সমস্ত এপিটাফ নিয়ে প্রান্তর জলাভূমি নাচগান ও রহস্যময় এক কুহকের ভিতর।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন